বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহাম কাউন্সিল গত আর্থিক বছরে তাদের উন্নয়ন কৌশল থেকে ১ কোটি পাউন্ডের বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে কাউন্সিলরদের জানানো হয়েছে।
স্থানীয় এই কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের আবাসন ও উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় ৩০ লাখ পাউন্ড আয়ের আশা করেছিল। কিন্তু বাস্তবে আয়ের তুলনায় ৭৬ লাখ পাউন্ড বেশি ব্যয় হয়েছে, যার ফলে বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ পাউন্ডে।
সম্প্রতি অর্থ বিভাগের দায়িত্ব নেওয়া লেবার কাউন্সিলর রকি গিল জানিয়েছেন, কাউন্সিলের বিনিয়োগ খতিয়ে দেখতে তিনি যথেষ্ট সময় ব্যয় করবেন।
এই আর্থিক ধাক্কার পেছনে রয়েছে ২০১৬ সালে চালু হওয়া উচ্চাভিলাষী বিনিয়োগ ও অধিগ্রহণ কৌশল (আইএএস), যার লক্ষ্য ছিল পুনঃউন্নয়নকৃত গ্যাসকোয়িন এস্টেটের মতো বড় প্রকল্পে অর্থায়ন করা। তবে এই উদ্যোগের ফলে কাউন্সিলের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২০ কোটি পাউন্ড, যা কাউন্সিলের মোট ১৬০ কোটি পাউন্ড ঋণের সিংহভাগ।
কাউন্সিল নেতৃত্ব আশা করেছিল, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে আয় ঋণের খরচ মেটানোর পাশাপাশি কাউন্সিলের জন্য অতিরিক্ত অর্থও এনে দেবে। কিন্তু নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার মতো কারণে এই প্রকল্প থেকে প্রত্যাশার তুলনায় কম আয় হচ্ছে।
গত মঙ্গলবার এক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, কাউন্সিল ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত আইএএস থেকে ২৮ লাখ পাউন্ড উদ্বৃত্তের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু বাস্তবে হয়েছে ৭৬ লাখ পাউন্ড ক্ষতি — অর্থাৎ অর্থবছর শেষে আইএএস কৌশল বাজেটের তুলনায় ১ কোটি ৪ লাখ পাউন্ড বেশি ব্যয় করেছে।
ক্যাবিনেট বৈঠকে কাউন্সিলর গিল বলেন, "আইএএসের মূল লক্ষ্যই ছিল বরোর বিনিয়োগ ও পুনঃউন্নয়ন নিশ্চিত করা, যা ক্যাবিনেট ও কাউন্সিলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার ছিল।"
তিনি আরও বলেন, "এই পুরো বিনিয়োগ কাঠামো খতিয়ে দেখতে আমি যথাযথ পরিশ্রম করব এবং এর জন্য যথেষ্ট সময় ব্যয় করব।"
ক্যাবিনেটে উপস্থাপিত একটি আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে আইএএসের বাণিজ্যিক সম্পত্তি খাতে ৪১ লাখ পাউন্ডের ক্ষতি, যা অতিরিক্ত সরাসরি খরচ ও নিট ঋণ ব্যয়ের কারণে হয়েছে।
সূত্র: The Standard
-
লন্ডনের মেয়র সাদিক খান পাচ্ছেন হাউস অব লর্ডসের সদস্যপদ, স্টারমারের শেষ সময়ের সিদ্ধান্তে
-
ডোভার সীমান্তে ইইউ-র নতুন নিয়মে দীর্ঘ যানজটের আশঙ্কা, রেকর্ড সংখ্যক ব্রিটিশ পর্যটকের যাত্রা
-
পানি-সংক্রান্ত সমস্যায় বন্ধ ইয়র্ক হল লেজার সেন্টার ও বি ওয়েল দ্য স্পা
-
যুক্তরাজ্যে এক বছরে প্রায় ২ হাজার স্পন্সরশিপ লাইসেন্স বাতিল, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কেয়ার সেক্টর
-
যুক্তরাজ্যে হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার ভিসা সংকট আরও ঘনীভূত, ILR সংস্কার নিয়ে সরকারের অভ্যন্তরেই টানাপোড়েন
আরও পড়ুন: