ঢাকা ৬ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
ঢাকা ৬ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ইষ্টহ্যান্ডসের ফুড ব্যাংকে খাবার সহায়তা দিলো বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে

প্রকাশিত: ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:০২ পিএম

ইষ্টহ্যান্ডসের ফুড ব্যাংকে খাবার সহায়তা দিলো বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে
লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত চ্যারিটি সংগঠন ইষ্টহ্যান্ডসের ফুড ব্যাংক কর্মসূচীতে হাত বাড়িয়ে দিলো বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে। ৩০ নভেম্বর সোমবার রাতে ইষ্ট লন্ডনের শ্যাডওয়েল এলাকায় ইষ্টহ্যান্ডসের ফুড ব্যাংকে বিপুল পরিমান শুকনো খাবার প্রদানকরে বিয়ানীবাজার পৌরসভার ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকের নেতৃবৃন্দ। করোনাকালে স্বল্প পরিসরে শুকনো খাবার প্রদান অনুষ্ঠানে খাবার গ্রহণ করেন ইষ্টহ্যান্ডসের ট্রাষ্টি এমরান আহমদ। খাবার প্রদান করেন বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকের বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকের সভাপতি আবুল কাশেম, সহ সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দেলু, নির্বাহী সদস্য বদরুল আলম, আব্দুল আহাদ, জসিম উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার হারুন মিয়া, বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে উপদেষ্টা, কসবা খাসা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মুরাদ, বিয়ানীবাজার থানা জনকল্যাণ সমিতি ইউকের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম মাসুদ আহমদ, বহরগ্রাম নিবাসী হাজী আজিজুর রহমান প্রমুখ। বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকের নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনের শুরু থেকে আমাদের ট্রাষ্ট বিভিন্নভাবে মানুষকে সহযোগিতার পাশাপাশি এবার ইষ্টহ্যান্ডসের ফুড ব্যাংক এর কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করি। ইষ্টহ্যান্ডসেরযে কর্মসূচী গ্রহণ করেছে তা প্রসংশার দাবীদার। আমরা কমিউনিটির বিত্তবান ও বিভিন্ন সংগঠনকে ইষ্টহ্যান্ডসের এর এইকর্মসূচীতে অংশগ্রহন করার আহবান জানাচ্ছি। টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের কাউন্সিলার হারুন মিয়া বলেন, এই ফুড ব্যাংক চালু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই যারাসমস্যার মধ্যে রয়েছেন তাদের অনেক উপকার হচ্ছে।ইষ্টহ্যান্ডসের চেয়ারম্যান নবাব উদ্দিন বলেন, আমাদের ফুড ব্যাংকে মানুষের অভূতপূর্ব সহায়তা পাচ্ছি। এছাড়া আমাদের কাছে প্রচুর মানুষের তালিকা রয়েছে যারা আমাদের ডোনেশন পয়েন্ট থেকে খাবার নিচ্ছেন। সেই সাথে টাওয়ার হ্যামলেটস, হ্যাকনী ওনিউহ্যামে বাসায় পৌছিয়ে দিচ্ছি।