করোনাভাইরাসে ভয়াবহ অবস্থা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পশ্চিম অংশের দেশ ইকুয়েডরে। দেশটিতে মানুষের মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলছে। শহরের রাস্তায় মিলছে লাশ।
দেশটিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়ানোর অন্যতম কেন্দ্রস্থল গয়াকিল শহর। সেখানকার একটি হাসপাতালের ভয়াবহ অবস্থা সামনে এসেছে। মর্গে মরদেহ রাখার জায়গা নেই। ফলে মরদেহ রাখা হচ্ছে বাথরুমে। এই ভয়াবহ অবস্থার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সরা।
ওই হাসপাতালের নার্সরা বলেছেন, অনেক মানুষকে বেড দেয়া যায়নি। ফলে অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন। হাসপাতালজুড়ে হাহাকার। হাসপাতালের বাইরেও অনেকে মারা গেছেন।
একজন নার্স জানিয়েছেন, দিনে গড়ে ১৫—২০টি মৃতদেহ হাসপাতালের বাথরুমে রাখা হচ্ছে। আরেকজন নার্স জানান, হাসপাতালের প্রতিটি জায়গায় মরদেহ রাখা হয়েছে। জরুরি ওয়ার্ডেও লাশ ভর্তি।
দেশটির সরকারের বরাতে ওয়ার্ডোমিটারের তথ্য মতে, ইকুয়েডরে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মারা গেছেন ১৬৫৮ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজারের মত। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ হাজার ৪৩৩জন।
ইকুয়েডরের সরকার যে মৃতদেহের সংখ্যা প্রকাশ করেছে তা ভুল হিসাব বলছেন দেশটির নাগরিক ও চিকিৎসকরা। তাদের দাবি, ইকুয়েডরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। এমনকি এপ্রিলের শুরুতেই ইকুয়েডরের গায়াজ প্রদেশে মোট ৬ হাজার ৭০০ মানুষ মারা গেছে। সরকারি হিসাবে অনেক তথ্য গোপন করা হচ্ছে।
-
রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ১৯ দিনের মাথায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির ফাঁসির রায়
-
হামে প্রতিদিন গড়ে ৭ শিশুর প্রাণহানি : রাজশাহী থেকে যেভাবে দেশজুড়ে ছড়াল
-
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিয়ম : গ্রিন কার্ড পেতে বিদেশিদের দেশে ফিরতে হবে
-
হামে শিশু মৃত্যু বাড়ছেই: টিকার ঘাটতি নিয়ে ইউনিসেফের ৫ চিঠিতেও সতর্ক হয়নি ইউনূস সরকার
-
শেখ হাসিনা সাক্ষাৎকার : গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার গর্ব নিয়ে দেশে ফিরব