ঢাকা ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
ঢাকা ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ
ইতালিতে অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আদালতের নতুন রায়ে আশা কুয়েতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে আটক বাংলাদেশিরা আশ্রয়কেন্দ্রে বন্দি ইংল্যান্ডে এশীয় শিশুদের দাঁতে ক্ষয়ের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে ৭০ শতাংশ বেশি লিভারপুল ছেড়ে বেসিকতাসে যোগ দিচ্ছেন সালাহ, বছরে আয় ১২ মিলিয়ন ইউরো! লন্ডনের মেয়র সাদিক খান পাচ্ছেন হাউস অব লর্ডসের সদস্যপদ, স্টারমারের শেষ সময়ের সিদ্ধান্তে প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় রোমে মন্তেভেরদে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আত্মপ্রকাশ অবৈধ প্রবাসীদের জন্য ইতালির সুখবর: আদালতের রায়ে খুলছে বৈধতার নতুন সুযোগ ডোভার সীমান্তে ইইউ-র নতুন নিয়মে দীর্ঘ যানজটের আশঙ্কা, রেকর্ড সংখ্যক ব্রিটিশ পর্যটকের যাত্রা পানি-সংক্রান্ত সমস্যায় বন্ধ ইয়র্ক হল লেজার সেন্টার ও বি ওয়েল দ্য স্পা স্পেন নিয়ে মেসির বার্তা, ‘ওদের আমার চেনা আছে’ ভাঙ্গা হচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভিসা নীতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কড়াকড়ি, বিপাকে শিক্ষার্থীরা ১৯ বছর আগে কোলে নেওয়া সেই শিশু এবার ফাইনালে মেসির মুখোমুখি প্রবাসী বাংলাদেশিরা হজে যেতে যেভাবে নিবন্ধন করবেন মেসির কড়া জবাব : ‘পছন্দ হোক বা না হোক, আমরাই বিশ্বের সেরা’ যুক্তরাজ্যে এক বছরে প্রায় ২ হাজার স্পন্সরশিপ লাইসেন্স বাতিল, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কেয়ার সেক্টর যুক্তরাজ্যে হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার ভিসা সংকট আরও ঘনীভূত, ILR সংস্কার নিয়ে সরকারের অভ্যন্তরেই টানাপোড়েন ফকল্যান্ড যুদ্ধ থেকে মাঠের বৈরিতায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা আজ বিরল ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণ ইয়ামাল ৬-০ এমবাপে ট্রাম্পের হুমকি : ইরান আলোচনায় না ফিরলে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র উড়িয়ে দেব যুক্তরাজ্যে চরম পানিসংকট ও বন্যাঝুঁকি: ‘হতে পারে ব্যাপক প্রাণহানি’ রাতে সোশ্যাল মিডিয়া ‘কারফিউ’ ঘোষণা ইউকে’র যুক্তরাষ্ট্রে ‘মুসলিম’ পরিচয়ের কারণে হামলা, যুবকের অবস্থা সংকটাপন্ন ধূমপান ছাড়তে টাওয়ার হ্যামলেটসবাসীর জন্য বিশেষ ‘স্মোক-ফ্রি চ্যালেঞ্জ’ ধর্ষণে দণ্ডিত রচডেল গ্যাং নেতাকে বহিষ্কার করতে অভিবাসন আইনে সংশোধনী আনছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আদালতের রায় মানছে না হোম অফিস, পাচারের শিকারদেরও ফ্রান্সে পাঠানো হচ্ছে এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা: মৃত্যুদণ্ড ১, যাবজ্জীবন ৩, ভুক্তভোগীর সম্মানের মূল্য মাত্র চার লাখ টাকা? এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলার রায়: সাইফুরের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন, চারজন খালাস মানবপাচার মামলায় ব্রাজিলে গ্রেপ্তার মামুন যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখে

যুক্তরাজ্যের ছোট গ্রামে ১,২৫০ আশ্রয়প্রার্থী রাখার সিদ্ধান্ত: সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে বাসিন্দারা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ এএম

যুক্তরাজ্যের ছোট গ্রামে ১,২৫০ আশ্রয়প্রার্থী রাখার সিদ্ধান্ত: সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে বাসিন্দারা

যুক্তরাজ্যের একটি প্রত্যন্ত ছোট গ্রামীণ এলাকায় ,২৫০ জন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীকে (Asylum Seekers) পুনর্বাসনের সরকারি পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা গণ-অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যের বর্তমান সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে স্থানীয় বাসিন্দারা রাজপথে নেমে এসেছেন এবং এটিকে গ্রামীণ জনপদের ওপর জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোম অফিস যুক্তরাজ্যের একটি সাবেক সামরিক ঘাঁটি বা বড় সরকারি স্থাপনাকে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই কেন্দ্রে মূলত সিঙ্গেল পুরুষ আশ্রয়প্রার্থীদের রাখা হবে, যারা ইংলিশ চ্যানেল পার হয়ে বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই গ্রামের মোট স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা এই ,২৫০ জনের চেয়েও কম। ফলে হঠাৎ করে একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে দ্বিগুণ সংখ্যক সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষকে নিয়ে আসায় তীব্র সামাজিক মানসিক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারের এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বেশ কিছু যৌক্তিক বাস্তবসম্মত কারণ তুলে ধরেছেন। তাদের অন্যতম বড় আপত্তি হলো চিকিৎসা ব্যবস্থার বিপর্যয়। গ্রামে মাত্র একটি ছোট জিপি সার্জারি বা মেডিকেল সেন্টার রয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতেই হিমশিম খায়। সেখানে একসঙ্গে ,২৫০ জন নতুন মানুষ এলে চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

এছাড়া প্রত্যন্ত এই গ্রামটিতে গণপরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল এবং ঘন্টায় মাত্র একটি বাস চলাচল করে। শত শত তরুণ পুরুষকে একটি শান্ত গ্রামীণ এলাকায় খোলামেলা ছেড়ে দিলে স্থানীয় নারী স্কুলপড়ুয়া শিশুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। বিক্ষোভকারীদের একজন বিবিসিকে বলেন, তারা বর্ণবাদী বা অমানবিক নন, কিন্তু এই ছোট গ্রামটি এত বড় ধকল সহ্য করার মতো অবস্থায় নেই।

এদিকে কনজারভেটিভ সরকারের আমলে আশ্রয়প্রার্থীদের বিলাসবহুল হোটেলে রাখার কারণে প্রতিদিন ব্রিটিশ করদাতাদের লাখ লাখ পাউন্ড খরচ হতো। বর্তমান লেবার সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই হোটেল খরচ কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।

হোম অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করদাতাদের টাকার সাশ্রয় করতে এবং আবাসন সংকট দূর করতেই এই বড় বড় -আবাসিক সরকারি স্থাপনাগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সরকার স্থানীয় কাউন্সিলের সাথে আলোচনা করে নিরাপত্তা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও স্থানীয়রা একটুও শান্ত হননি।

উল্টো স্থানীয় দলীয় কাউন্সিলর এমপিরাও এখন নিজেদের ভোটারদের ক্ষোভের মুখে পড়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, শুধু রাজপথে বিক্ষোভই নয়, স্থানীয় বাসিন্দারা এখন চাঁদা তুলে একটি শক্তিশালী ফান্ড গঠন করছেন। হোম অফিসের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে তারা হাইকোর্টে 'জুডিশিয়াল রিভিউ' বা আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগেও বিভিন্ন এলাকায় এমন পরিকল্পনা স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদের মুখে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ফলে সরকারের এই নতুন প্রকল্পটিও বড় ধরনের আইনি রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়তে যাচ্ছে বলে মনে করছেন ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজ সূত্র: বিবিসি নিউজ