যুক্তরাজ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রা চালাতে হিমশিম পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো অনেক কষ্টে দিনানিপাত করছেন। অনেকে বিনা মুল্যে পাওয়া খাবারের ফুড ব্যাংকগুলো হতে খাবার নিয়ে যাচ্ছেন।
যুক্তরাজ্যের বাজারে মুদ্রাস্ফীতি গত ডিসেম্বরে এক লাফে ৫.৪% এ পৌঁছে যায়, যা মার্চ ১৯৯২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
তথ্য বলছে ,এবারের মুদ্রাস্ফীতি গত ৩০ বছরের মধ্যে এটির সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। এই মুহুর্তে কাপড়, খাবারের জিনিষ এবং জুতার উচ্চ মূল্যে মার্কেটগুলোতে পরিলক্ষিত হচ্ছে।
সুদের হার বাড়ানোর জন্য আগামী মাসে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নীতিনির্ধারকদের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হবে- তার উপর আরও চাপ বেড়েছে। বাজারে আসবাবপত্রের দাম এবং খাবারের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে স্টাফদের অতিরিক্ত বিশেষ করে লরি ড্রাইভারদের বেতন বাড়ানো, জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত দাম এবং যুক্তরাজ্যের বন্দরে আটকে রাখা আমদানিকৃত জিনিষের ব্যয় বাড়িয়েছে।
এদিকে লেবার দলীয় সংসদ সদস্য ব্রিটিশ-বাংলাদেশী রুশনারা আলী বলেছেন, আগামী এপ্রিল মাসে জ্বালানি বিলের উপর অফজেমের ক্যাপ আরোপ, মূল্যস্ফীতি হ্রাসে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে মারাত্নক প্রভাব ফেলবে।
রুশনারা আলী এমপি আর বলেন, গ্যাসের দাম শুধু যুক্তরাজ্যে নয় গোটা ইউরোপ জুড়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য যুক্তরাজ্য সরকার নিজ থেকে মোকাবেলা করতে পারবেনা এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোতে এর অনেক বেশি প্রভাব ফেলবে।
-
‘এক-এগারোর’ আলোচিত জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার, কি বার্তা দিল সরকার?
-
সিলেটে মাজারে হামলা, বাউলগানের আসর পণ্ড
-
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
-
যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতায় তিন দেশ, আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ?
-
সামনে কঠিন সময় আসছে, তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে: মির্জা ফখরুল