বাগেরহাট জেলার, চিতলমারীতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মহা ধুুমধামে ভাদ্র সংক্রান্তি উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে পূজা, অর্চণা ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এ ভাদ্র সংক্রান্তি পালিত হয়। ভাদ্র সংক্রান্তি যুগ যুগ ধরে ঐতিহ্য বহন করে আসছে।
কুরমনি সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের সভাপতি দেবাশিষ বিশ্বাস জানান, ভাদ্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ আশ্বিন মাস শুরুর আগের দিন বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভাদ্র সংক্রান্তি পালন করে আসছে। এদিন ভোরে বাড়ির মা-বোনেরা ঘর-দুয়ার লেপে মুছে পরিষ্কার করেন। ধুয়ে মুছে পরিস্কার করেন গৃহস্থালী ব্যবহৃত চেয়ার টেবিল, দা কাচি, পাটা-শীল, কোদল-কোটা, ধামা-কুলা ইত্যাদি সব আসবাবপত্র। পরে তাতে তেল ও সিঁদুরের ফোঁটা দিয়ে উঠানে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখেন। তারপর সেখানে আসন পেতে শুরু করেন শ্রী শ্রী বিশ্বকর্র্ম্মা পূজা। পূজায় ছাতুর তৈরী বিভিন্ন পিঠা পায়েস দিয়ে ভোগ সাজানো হয়। শাস্ত্রে বিশ্বকর্ম্মাকে শিল্পের দেবতা বলা হয়।
বাংলা ৩১ শে ভাদ্র তার পূজা দিলে গৃহ ও ব্যবসায়িক মঙ্গল হয় বলে ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে। সে বিশ্বাস থেকে গ্রামের ঘরে ঘরে ভাদ্র সংক্রান্তি উদযাপন বা বিশ্বকর্ম্মা দেবের পূজা দেওয়া হয়। নবযুগ ডাইরেক্টরি পঞ্জিকার ৩৪৯ পৃষ্ঠায় বিশ্বকর্ম্মা পূজার উল্লেখ রয়েছে। বিশ্বকর্ম্মা পূজাই মূলত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে ভাদ্র সংক্রান্তি।
-
সামনে কঠিন সময় আসছে, তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে: মির্জা ফখরুল
-
ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, উপজেলা-পৌরসভা নির্বাচন কবে?
-
সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে তারেক রহমানের ফোন, কী কথা হলো
-
এক বছর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেলেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার
-
দেড় বছর পর বাসায় ফিরতেই আওয়ামী লীগ নেতা হাসু গ্রেপ্তার