মুহাম্মদ জুবায়ের তার বক্তৃতায় বলেন, আমি ১৫ বছর যাবত বৃটিশ কারী এওয়ার্ডেও প্রায় সবগুলোর ইভেন্ট কভার করেছি। সব সময় আমার অবস্থান ছিল স্টেজের উল্টো দিকে। বহু এওয়ার্ড বিজয়ীকে নিয়ে বিশেষ রিপোর্ট করেছি। কখনো ভাবিনা আমিও স্টেজে যাবো, এই এওয়ার্ড পাবো। কিন্তু করোনা বাস্তবতায় আমাকেও মূল্যায়ন করা হলো। আমি অবশ্যই আনন্দিত, তবে কিছুটা অবাকও। ধন্যবাদ কমিউনিটিতে উচ্চমানের এওয়ার্ড কালচারের প্রবর্তক এনাম আলী এমবিইকে।
কোভিড নাইনটিন বাস্তবতায় ১ম বারের মতো ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হলো বৃটিশ কারি এওয়ার্ডস। বিশ্ব কারী ইন্ড্রাস্ট্রির অস্কার পুরস্কার হিসেবে খ্যাত ব্রিটিশ এই অ্যাওয়াডের ১৬-তম ব্যতিক্রমী আয়োজনটি অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয় গত ১৭ ডিসেম্বর। জাস্ট ইটের সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো এই অনুষ্ঠানে কোনো একটি রেস্টুরেন্টের খাদ্যমানের স্বাদ ও গুণাগুণ বিচার করে দেয়ার পরিবর্তে ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে এওয়ার্ড তুলে দেয়া হয় বিজয়ীদের হাতে। বিশেষ এওয়ার্ড লাভ করেন শতবর্ষী দবিরুল ইসলাম চৌধুরী ওবিই।
ব্রিটিশ রানী, দেশের প্রধানমন্ত্রী ও লন্ডন মেয়র সাদিক খানসহ বিরোধী দল লেবার পার্টির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের প্রশংসা কুড়ায় কোভিডকালের এই আয়োজন। এতে এমপি- মন্ত্রীর ভাচুয়াল উপস্থিতি ছাড়াও সোসাল ডিসটেনসিং রক্ষা করে অনুষ্ঠান স্থলে উপস্থিত হন সুপার মডেল কাপরিচ ও লাভ আইল্যান্ড স্টার এমি হার্ট। মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার অনেকে সিনিয়র সাংবাদিক অনলাইনে অতিথি হিসেবে যোগদেন।
অনলাইন এই আয়োজনে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, আমরা সবাই এক কঠিন সময় পার করছি। রেস্টুরেন্ট ইন্ড্রাস্ট্রির জন্য এই সময়টি আরো বেশী চ্যালেঞ্জ এর। আর ইন্ড্রাস্ট্রির সেইসব কোভিড হিরোদের স্বীকৃতি দিচ্ছে বৃটিশ কারী এওয়ার্ড।
উল্লেখ্য মুহাম্মদ জুবায়ের করোনায় আক্রান্ত হওয়া এবং আইসিইউ থেকে কয়েক মাস পর ফিরে আসা মানুষজনের কাহিনী নিয়ে নিউজ রিপোটিং-এর পাশাপাশি চ্যানেল এস-এর মাধ্যমে মিডিয়া প্রডাকশন ভিত্তিক মানবিক কাজেও অনন্যতার পরিচয় দিয়েছেন। কভিড নাইনটিনে ‘ফিড ফাইভ থাউজেন’ নামের প্রজেক্টে কোঅডিনেটর ছিলেন তিনি। যার মাধ্যমে বাংলাদেশে ১৩ হাজার মানুষকে প্রায় ১২৬ হাজার পাউন্ড বাজেটে ফোডপ্যাক প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে ‘লাভ ফর এনএইচএস’-প্রজেক্টের মাধ্যমে বৃটিশ হেলথ ওয়ার্কারদের প্রদান করা হয় ১১৫ হাজার পাউন্ড,এই প্রজেক্টেও ফান্ডরেইজিং পার্টনারদের সমন্বয় করেন তিনি।
২০১৯ সালে বহুল প্রশংসিত ‘সেইভ তাফিদা’ ক্যাম্পেইনে কালেকশন ছিলো ১৬০ হাজার পাউন্ড। কমিউনিটি নেতৃবৃন্দকে চ্যানেল এসের মাধ্যমে এক কাতারে এনে এই ক্যাম্পেইন সফলতার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভ‚মিকা ছিলো তার। বৃটেনে চিকিতসা না পাওয়া এবং মেইনস্ট্রিমে বহুল আলোচিত শিশু তাফিদা এখোনো ইটালিতে চিকিতসা নিচ্ছে।
ইতিমধ্যে প্রেস ক্লাবে নেতৃত্বপূর্ন ভূমিকার জন্য কেনারিওয়ার্ফ-এর এওয়ার্ড লাভ করেছেন জুবায়ের। এছাড়া সানরাইজ টুডে এবং ইস্টউড এওয়ার্ড পেয়েছেন বৃটিশ বাংলাদেশী টিভি নিউজে ‘বেস্ট রিপোর্টিং’-ক্যাটাগরিতে । তালিকাভ‚ক্ত হয়েছেন বৃটিশ বাংলাদেশী পাওয়ার হান্ড্রেডস-এ ২০১৮ সালের নেক্স জেনারেশন পাবলিক্যাশন্স-এ।
-
ট্রাম্প কি ইরান যুদ্ধে হারছেন?
-
হামে প্রতিদিন গড়ে ৭ শিশুর প্রাণহানি : রাজশাহী থেকে যেভাবে দেশজুড়ে ছড়াল
-
লন্ডনে বাবু-রুপাসহ গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের নিন্দা
-
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিয়ম : গ্রিন কার্ড পেতে বিদেশিদের দেশে ফিরতে হবে
-
হামে শিশু মৃত্যু বাড়ছেই: টিকার ঘাটতি নিয়ে ইউনিসেফের ৫ চিঠিতেও সতর্ক হয়নি ইউনূস সরকার
আরও পড়ুন: