ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সর্বশেষ
যুক্তরাজ্যে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপপ্রবাহের আশঙ্কা, জারি অ্যাম্বার সতর্কতা সংযুক্ত আরব আমিরাতে শিয়া মুসলিম হওয়ায় চাকরিচ্যুত হচ্ছেন প্রবাসীরা, জব্দ হচ্ছে ব্যাংক হিসাব বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহাম কাউন্সিলের ১২০ কোটি পাউন্ড ঋণ, উন্নয়ন প্রকল্পেই ক্ষতি ১ কোটি পাউন্ড সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ২৬১, মোট মৃত্যু ৭২ সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১% বেড়েছে: কীভাবে বাড়ল, এখন কারা জমাচ্ছে? রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতা হত্যা : প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীরাও ধরা পড়ছে না গোল্ডেন ভিসা পেলেও চাকরি ছাড়তে হবে না, জানাল ইউএই ইউএইতে ১৫ বছরের নিচে শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ বাংলাদেশিসহ বিদেশি কর্মীদের জন্য সৌদির নতুন ভিসা কড়াকড়ি রোনালদো কি পর্তুগালের বোঝা হয়ে উঠছেন? গণমাধ্যম ও বিনোদনে অভিবাসনপন্থী প্রচারে কোটি পাউন্ড ব্যয়, দাবি টেলিগ্রাফের ‘আজকে সংসদ নাই? সংসদে যান’- সিলেটে পৌঁছে এমপিদের বললেন প্রধানমন্ত্রী রোনালদোর যে দুই রেকর্ড ভাঙলেন মেসি নেইমার ফিরলেন অনুশীলনে: ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তির হাওয়া মেসির জাদুকরী হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার উড়ন্ত শুরু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা: দুই বছর পর জাবির ১২ শিক্ষককে শাস্তি দিল্লি বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান ইরান-মার্কিন শান্তি চুক্তি নিয়ে অস্বস্তিতে ইসরায়েল, ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সম্পর্কে টানাপোড়েন ব্রাজিলের দুঃসংবাদ: গ্রুপ পর্বে খেলতে পারছেন না নেইমার, অনিশ্চয়তা বাড়ছে বিশ্বকাপ ঘিরেও বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য যুক্তরাজ্যের নতুন ভিসা সহায়তা, মিলবে ৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: কী পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ কেমন খেলল ব্রাজিল : মরক্কোর কাছে হোঁচট, ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু ট্রাম্পের দাবি আজই চুক্তি সই, ইরানের ভিন্ন সুর আর্জেন্টিনার খেলা কখন, কবে, কার সঙ্গে—পূর্ণ সূচি ও সম্ভাব্য পথচিত্র ব্রাজিলের খেলা কখন, কবে, কার সঙ্গে—পূর্ণ সূচি ও সম্ভাব্য পথচিত্র মারা গেছেন পপ আর্টের কিংবদন্তি ব্রিটিশ চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি টরন্টো বাংলা পাড়া টুর্নামেন্ট: টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন বিয়ানীবাজার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ : কোন ম্যাচ কখন ,কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? ৩০ বছর পর সালমান শাহর দেহাবশেষ তোলার আদেশ হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে মার্কিন হামলা, বাহরাইন ও জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের

মায়ের মৃত্যু দিবসে ছেলের আবেগঘন খোলা চিঠি

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২০, ০৬:২২ পিএম

মায়ের মৃত্যু দিবসে ছেলের আবেগঘন খোলা চিঠি
আম্মা, পঁচিশ বছর হয়ে গেছে তুমি আমাদের ছেড়ে চলে গেছ। আমরা দশ ভাইয়ের মাঝে আমি আর বড়ভাই তোমাকে কম পেয়েছি । সেই শৈশবেই ১৯৭৮ সালে সুনামগঞ্জে আসা আর ১৯৯৩ সালে পড়ালেখা শেষ করে আবার চট্টগ্রাম থেকে সুনামগঞ্জে ফিরে যাওয়া । এ সময়ে তোমাকে সামান্য সময়ের জন্য পেয়েছিলাম । পডালেখা শেষ করে যখন স্থায়ীভাবে সুনামগঞ্জ এলাম তখন তুমি চলে এলে সেখানে, আমাদের গ্রাম আনোয়াপুর থেকে। তখন আমাদের কারো কারো চাকুরী হতে শুরু করেছে। আমরা প্রাচুর্যের দেখা পেতে শুরু করলাম । তুমি আমাদের দশজনকে মানুষ করতে অতিমানবীয় কষ্ট করেছ। কিন্তু শ্রমের যে বীজ  তুমি বপন করেছিলে তার ফসল পূরোটা না দেখে তুমি চলে গেলে। কি এমন বয়স হয়েছিল তোমার মারা যাওয়ার সময় ? খুব বেশী হলে বায়ান্ন -তেপ্পান্ন । এখন বেঁচে থাকলে তোমার বয়স খুব বেশী হলে আশি হতো। আশি বছর বয়সে  অনেকের মায়েরাই বেঁচে আছেন তাদের আশা, আনন্দ আর আশির্বাদের বাতিঘর হয়ে ।আমরা দূর্ভাগা। তোমাকে পাইনি । আম্মা, সন্তান যত বড় হোক না কেন কিছু কথা আছে শুধু মাকে বলা যায়- মাকে বললেই মনে শান্তি আসে । তোমাকে বলার সে কথাগুলো আমি আর কাকে বলব বল ? আমার ফলাফলের সেই ফার্স্ট ডিভিশন, সেকেন্ড ডিভিশন, ফার্স্ট ক্লাস কিংবা সেকেন্ড ক্লাসের ব্যবধানটা তুমি ঠিক না বুঝলেও আমার আনন্দ ফলাফলটা তোমাকে শুনানোর মাঝেই ছিল পরম শান্তি। মনে পড়ছে মাস্টার্স পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে যখন বন্ধুরা দুষ্টুমি করে চিঠি লিখল আমি থার্ড ক্লাস পেয়েছি, তখন তোমার কাছে বসে কান্না শুরু করে দিলাম । তুমি পীঠে হাত বুলিয়ে বলেছিলে - আমার মনে হয় ভুল খবর এসেছে ।তুই সেকেন্ড ক্লাস পাবি । পেলামও তাই । কেন জানি মনে হতো তুমি বললেই আমার -আমাদের সব হয়ে যাবে । হয়েছেও তাই। আম্মা, নিজের জন্য তোমাকে কখনও কিছু চাইতে দেখিনি। আমার জুনিয়র বৃত্তির ১১৫০ টাকা তোমার হাতে তুলে যখন দিয়েছিলাম তখন ১১০০ টাকা দিয়ে ১১জন গরীব দুস্থ মহিলাকে ঈদে শাড়ি কিনে দিয়েছিলে -ব্যাপারটা এখনো স্পষ্ট মনে আছে । জীবনে আমার রোজগার থেকে তোমাকে কিছু দেয়ার সুযোগ পাইনি আমি - এ দু:খ আমাকে আজীবন তাড়া করবে। আম্মা, তোমার ছেলেরা আজ সমাজে সম্মানের সাথে প্রতিষ্ঠিত। ছাত্রজীবনের সিংহভাগ অংশ  হলে /হোস্টেলে কাটানো তোমার ছেলেদের নিজেদের বাড়িঘর হয়েছে। এ তোমারই শ্রমের ফসল । আজ বেঁচে থাকলে দেখতে তোমার নাতি নাতনীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন শেষে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত আছে - ডাক্তার হয়েছে- প্রকৌশলী হচ্ছে । আম্মা, তোমার শূন্যতা আমাকে - আমাদেরকে তাড়া করে ফিরবে সারা জীবন । আল্লাহ তোমাকে বেহেস্ত দান করুন- এ প্রার্থনাই করব আজীবন। ইতি তোমার স্নেহের তারিক লেখক: উপাধ্যক্ষ,বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ,সিলেট