শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় তিনটি গির্জা এবং হোটেলে সিরিজ বিস্ফোরণের ঘটনায় সর্বশেষ ১৫৬ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন শতাধিক মানুষ। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে প্রশাসনের আশঙ্কা। সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিস্ফোরণের পর এলাকা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী ।
শ্রীলঙ্কার জাতীয় হাসপাতালের পরিচালক অনিল জয়সিংহে জানান, ছয়টি বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৫৬ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী কলম্বোতে ৪৯, রাজধানীর অদূরে অবস্থিত নিগোম্বোতে ৬২ এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ বাট্টিকোলাতে ২৭ জন নিহত হয়েছেন।
যে তিনটি গির্জায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেগুলো কোচকিকাদে, কাতুয়াপিটিয়া ও বাট্টিকালোয়া নামক স্থানে অবস্থিত। এসব গির্জায় ইস্টার সানডে উপলক্ষে অনুষ্ঠান চলছিল।
তাছাড়া রাজধানীর সাংগ্রি লা, দ্য কিন্নামোন এবং কিংসবারি নামক আরও তিনটি হোটেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। হোটেল তিনটি রাজধানী কলম্বোর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।
একটি সূত্রে জানা গিয়েছে শহরের অভিজাত তিনটি হোটেলই বেছে নেওয়া হয়েছিল। এছাড়া তিনটে গির্জার মধ্যে দুটি কলম্বো শহরের কিছুটা বাইরে। বিস্ফোরণের ধরন কী তা জানা যায়নি। সেন্ট সেবাস্টিয়ান গির্জার তরফে ফেসবুকে হামলার কথা বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে প্রথম বিস্ফোরণটি হয় সেন্ট সেবাস্টিয়ন গির্জায়।
তাদের তরফে গোটা ঘটনাটি ফেসবুকে জানানো হয়েছে। পরে অন্য জায়গা থেকেও বিস্ফোরণের খবর এসে পৌঁছেছে। গ্রান্ড হোটেল এবং আরেকটি হোটেলেও বিস্ফোরণ হয়। ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পর শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন।
অপরদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে ভয়াবহ এই বোমা বিস্ফোরণে৩৫ জন বিদেশী নাগরিকের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে।
-
৪০০০ কিমি দূরের মার্কিন ঘাঁটি নিশানা: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে নতুন হিসাব
-
এক বছর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেলেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার
-
আল-আকসায় ঈদের নামাজ হয়নি—ছয় দশকের মধ্যে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি
-
ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার জবাবে চার দেশের ৭ জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা : ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান
-
দেড় বছর পর বাসায় ফিরতেই আওয়ামী লীগ নেতা হাসু গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন: