পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে এক বিদেশিকে অপহরণ করে নির্যাতনের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির জুডিশিয়ারি পুলিশ (পিজে)।
তাদের ধরতে যে অভিযান পরিচালনা করা হয়, বাংলাদেশের মুদ্রার নামানুসারে তার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয় ‘টাকা’। গ্রেপ্তারদের বয়স ৩৫ ও ৪৩ বছর; তবে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘জরনাল দে নোতিসিয়াস’ লিখেছে, গত ২৭ জুন ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে লিসবনের সড়ক থেকে একটি বাসায় নিয়ে যায় দুই ব্যক্তি।
এরপর দুই দিন ধরে ওই ব্যক্তিকে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হয় জানিয়ে পিজে এক বিবৃতিতে বলেছে, “পুরো সময় তাকে আটকে রাখা হয়। এ সময় তাকে বারবার মারধর, হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্যাতন করা হয়। একইসঙ্গে তার মুক্তির বিনিময়ে বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়।”
মুক্তিপণের পর ছেড়ে দেওয়া, শুরু তদন্ত
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, মুক্তিপণের অর্থ পরিশোধের পর ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নির্যাতনের কারণে পরে ভুক্তভোগীকে চিকিৎসা নিতে হয়। তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।
এরপর Judiciary Police-এর জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট (UNCT) তদন্ত শুরু করে। তাদের তদন্তে শনাক্ত হওয়ার পর গ্রেপ্তার হন দুই বাংলাদেশি।
আদালতে তোলা হবে অভিযুক্তদের
সন্দেহভাজনদের প্রাথমিক বিচারিক শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালত বা বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করা হবে, যেখানে তাদের ব্যাপারে সতর্কতামূলক/প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
লিসবনের তদন্ত ও প্রসিকিউশন বিভাগের পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।