ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ের চতুর্থ দিনের আনুষ্ঠানিকতায় পবিত্র নগরী কোমে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে নিহত হওয়া খামেনির মরদেহ রাখা হয়েছে কোমের জামকারান মসজিদে। শিয়া ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাজারগুলোর জন্য পরিচিত এই শহরেই চলছে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আকাশপথের দৃশ্যে দেখা যায়, প্রায় ১৫ লাখ মানুষের শহর কোমের সড়ক শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রভাবশালী রক্ষণশীল শিয়া ব্যক্তিত্ব এবং ৯৩ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আবদুল্লাহ জাভাদি-আমোলি ওই মসজিদের ভেতরে জানাজা নামাজের ইমামতি করেন। এ সময় উপস্থিত বিপুল জনতা সমস্বরে ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক’ বলে স্লোগান দেন।
টেলিভিশনের অন্য ফুটেজে দেখা যায়, পাগড়ি পরা আলেমসহ শোকাহত মানুষ খামেনি এবং তার সঙ্গে নিহত চার স্বজনের কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৪ মাস বয়সী এক নাতনিও রয়েছে।
পরবর্তীতে খামেনি ও তার স্বজনদের মরদেহ বহনকারী একটি ট্রাকের শোভাযাত্রা ফাতিমা মাসুমার মাজারের উদ্দেশে রওনা হয়। ফাতিমা মাসুমা অষ্টম শিয়া ইমাম ইমাম রেজার বোন এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশধর।