ঢাকা ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৫, ০৩:৫৪ পিএম

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

ছাত্রলীগ কর্মীদের নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী অকাল প্রয়াত আবরার ফাহাদকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সোমবার (৩ মার্চ ২০২৫) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আগাম এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রতি বছর স্বাধীণতা দিবস উপলক্ষে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে। এ বছরের পুরস্কার তালিকা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ওই পোস্টে তিনি বলেছেন, 'অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসিকতার প্রতীক, মুক্ত চিন্তার এক প্রতিচ্ছবি-আবরার ফাহাদ। মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত হওয়া তার আত্মত্যাগের স্বীকৃতি। তার আদর্শ আমাদের আলোকিত করে, ন্যয়বিচারের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়। জাতি তোমাকে ভুলবে না, আবরার!' বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা এই স্বাধীনতা পুরষ্কার। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সরকার এই পুরস্কার দেয়।

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, ৩ লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সেই ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা দেশ। আবরারের বাবা রাজধানীর চকবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচার শেষে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর মামলার রায়ে বুয়েটের ২০ শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।